দেশ 

জীবন দায়ী ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে কেন্দ্র সরকার! কেন ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত?

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : জীবন দায়ী ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে পড়ল কেন্দ্র সরকার। ডিলারের থেকে কেনা দামের তুলনায় হাজার গুণ বেশি দামে জীবনদায়ী ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলির এহেন ‘ডাকাতি’র ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রীয় সরকারের নাকের তলায় এহেন কর্মকাণ্ড চললেও কেন কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না? এই প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘হাসপাতাল অন্য উপায়ে চলতে পারে, এই ডাকাতির মাধ্যমে নয়।’

চিকিৎসায় নামে রোগীর পরিবারগুলিকে লুট করার অভিযোগ বেসরকারি হাসপাতালগুলির বিরুদ্ধে নতুন কিছু নয়। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত এক মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে। সেখানে একটি ঘটনা সামনে আসে। যেখানে এক ওষুধ ব্যবসায়ীর স্ত্রী এক নামী বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসায় একটি ইনজেকশনের দাম হাসপাতালের তরফে ধার্য করা হয় ১.৩০ লক্ষ টাকা। অথচ এই ইনজেকশনের ডিলার মূল্য ছিল ১১ হাজার টাকা। ওই ব্যবসায়ী ওষুধটি বাইরে থেকে এনে দেওয়ার কথা বললেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাইরে থেকে ওষুধ আনতে নিষেধ করেন এবং ১.৩০ লক্ষ টাকা বিল করেন।

এই ঘটনায় হাসপাতালের পক্ষের আইনজীবী মুকুল রোহতগি বলেন, ওষুধের গুণমান বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা। তবে আদালত সেই যুক্তি মানতে নারাজ। কেন্দ্রের যুক্তি, ওষুধের দাম একটি নির্দিষ্ট সীমার বাইরে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সরকারের মতে, এই ব্যবসায় পর্যাপ্ত মুনাফা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। পালটা আদালত জানায়, ড্রাগ প্রাইস কন্ট্রোল অর্ডার (ডিপিসিও)-এর আওতাভুক্ত ওষুধ যদি রোগীদের কাছে না পৌঁছায়, তবে সেগুলি সহজলভ্য করার দায়িত্ব সরকারের। এই মামলায় রায় সংরক্ষিত রেখেছে শীর্ষ আদালত।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ